Cybersecurity Conference

দেশে সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঝুঁকি মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধিতে অনুষ্ঠিত হলো ‘বাংলাদেশ ইনফরমেশন সিকিউরিটি এক্সিবিশন অ্যান্ড কনফারেন্স’ – বিআইএসইসি ((Bangladesh Information Security Exhibition & Conference – BISEC) শীর্ষক দিনব্যাপী এক আন্তর্জাতিক সম্মেলন।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল ভবনে ‘আন্তর্জাতিক সাইবার নিরাপত্তা সম্মেলনে’ অতিথির বক্তব্যে গত এক বছরে সাইবার আক্রমণ বাড়ার পরিসংখ্যান তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী।

পলক বলেন, “ডাটা ব্যবহারের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সাইবার অ্যাটাকও। গত এক বছরেই তো ৪৪ শতাংশ বেড়েছে।

“হ্যাকাররা ক্রমেই প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে উঠছে। ব্যক্তি পর্যায় তো বটেই, এখন তাদের লক্ষ্য আরও বড়। বড় কোনো রাজনৈতিক এজেন্ডা নিয়ে তারা একের পর এক সাইবার অ্যাটাক চালাচ্ছে।”

হ্যাকাররা রাষ্ট্রীয় খাতে ‘বড় হুমকি হয়ে উঠছে’ মন্তব্য করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, “সাইবার সিকিউরিটি নিঃসন্দেহে বড় এক চ্যালেঞ্জ আমাদের জন্য।

“সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে আমাদের নতুন ধারণা গ্রহণ করতে হবে। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের মাধ্যমে আরও দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে হবে আমাদের।”

অনুষ্ঠানে ‘চ্যালেঞ্জ সাইবার থ্রেটস: কান্ট্রি, ওয়ার্ল্ড, সাইবার সিকিউরিটি’ শিরোনামে একটি সমীক্ষাও উপস্থাপন করেন পলক।

বাংলাদেশে ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির প্রসঙ্গও উঠে আসে তার আলোচনায়।

কনফারেন্সের বিশেষ অতিথি ছিলেন লিথুনিয়ার সাবেক অর্থমন্ত্রী রিমাতাস জাইলিয়াস।

রিমাতাস জাইলিয়াস বলেন, “তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো যখন প্রযুক্তি খাতে উন্নতির দিকে ধাবিত হচ্ছে, তখনই তাদের বড় বাধা সাইবার থ্রেট। আর তা ক্রমেই বাড়ছে। বিশ্ব অর্থনীতিতে সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টি এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

সাম্প্রতিক সময়ের এক সমীক্ষায় সাইবার আক্রমণের ঘটনায় বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ৬৬০ মিলিয়নের মতো রেভিনিউ হারাতে হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের অধীনে পরিচালিত লিভারেজিং আইসিটি ফর এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড গভার্নেন্স (এলআইসিটি) প্রকল্পের বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ইনসিডেন্স রেসপন্স টিমের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজন করা হয় এই সেমিনার।

এতে ফায়ার আই, এনআরডিএস, সিএ টেকনোলজিস, মাইক্রোসফট, সিসকো, রিভে সিস্টেমস ও ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউএসএর মতো সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থাগুলো অংশ নেয়।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY