স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি-৭ বিক্রি বন্ধের ঘোষণা

Credit:- BBC

গ্রাহকের উদ্দেশে স্যামসাং বলেছে, যাদের কাছে গ্যালাক্সি নোট ৭-এর আসল কিংবা বদলে দেয়া ফোন রয়েছে তাদের তা বন্ধ রাখতে এবং ব্যবহার না করতে অনুরোধ করা হচ্ছে। ওই বিবৃতির পর পরই গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রে এটিএ্যান্ডটি ও টি-মোবাইল গ্যালাক্সি নোট সিরিজের এ ফোন বিক্রি কিংবা বদলে দেয়া বন্ধের ঘোষণা দেয়। যুক্তরাজ্যেও বদলে দেয়া বন্ধের ঘোষণা দেয়া হয় ভোডাফোন ও ইই-এর পক্ষ থেকে।

মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) বিবৃতি দিয়ে এ ঘোষণা দেয় কর্তৃপক্ষ। তাদের নোট ৭ বিক্রি বন্ধ করার ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রাহক পণ্য নিরাপত্তা কমিশনও বিবৃতি দিয়েছে।

নোট ৭ বিক্রি বন্ধ ঘোষণার ঘণ্টাকয়েক আগে এক বিবৃতি দিয়ে ‘এখনই স্মার্টফোনটি বন্ধ’ করে দেওয়ার আহ্বান জানায় স্যামসাং। এর আগের দিন তারা নোট ৭ উৎপাদন বন্ধের ঘোষণা দেয়।

গ্যালাক্সি নোট ৭ বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়ে স্যামসাং জানিয়েছে, স্মার্টফোনে আগুন ধরে যাওয়ার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।এর আগে গ্যালাক্সি নোট ৭-এর ব্যাটারি নিয়ে অভিযোগ করে কয়েকজন গ্রাহক। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত মাসে ২৫ লাখ স্মার্টফোন বদলে দেয় স্যামসাং। পরে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বদলে দেওয়া স্মার্টফোন নিরাপদ। তবে এক মাস না পেরোতেই চলতি মাসে নোট ৭ বিক্রি বন্ধ রাখার আহ্বান জানাল প্রতিষ্ঠানটি।

বদলে দেওয়া অনেক গ্যালাক্সি নোট ৭-এ আগুন ধরেছে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্টাকি অঙ্গরাজ্যের এক বাসিন্দা বলেন, তিনি শয়নকক্ষে ধোঁয়া দেখে উঠে পড়েন। পরে দেখতে পান, স্যামসাংয়ের বদলে দেওয়া নোট ৭টি বিস্ফোরিত হয়েছে।

গ্যালাক্সি নোট-৭ বাজারে আসার পরপরই কয়েকজন ব্যবহারকারি ফোনে হঠাৎ করে আগুন ধরে যাওয়ার অভিযোগ করেন। এছাড়া বেশ কয়েকটি এয়ার লাইন্স কোম্পানি নোট-৭ বহনে নিষেধাজ্ঞাও দিয়েছে। এরপর গত মাসে স্যামসাং ত্রুটিপূর্ণ ব্যাটারির কথা বলে নোট-৭ প্রত্যাহার করে নেয়।

পরে নতুন সংস্করণও নিরাপদ না হওয়ায় ওই ফোন নিয়েও অভিযোগ ওঠেছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং অস্ট্রেলিয়া নতুন সংস্করণেও একই সমস্যার অভিযোগ উঠায় যুক্তরাষ্ট্র এবং অস্ট্রেলিয়া তাদের দেশে এই ফোন আনা নেয়া বন্ধ করে দেয়।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY