ফরচুন সাময়িকীর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে স্ক্যামের বা জালিয়াতির শিকার হওয়ায় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগল ও ফেসবুকের নাম উঠে এসেছে। প্রতিষ্ঠান দুটি হচ্ছে ।(Google & Facebook attacked by phishing scams)
গুগল ও ফেসবুকের পক্ষ থেকে বিষয়টি স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠান দুটির পক্ষ থেকে নিশ্চিত করে বলা হয়েছে, তাদের কর্মীরা এই ফিশিং স্ক্যামের শিকার হয়েছেন।

ইন্টারনেটে ফিশিং বলতে ছদ্মবেশে প্রতারণা বা জালিয়াতির মাধ্যমে তথ্য-অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়টিকে বোঝানো হয়।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম ইভালদাস রিমাসাসকাস (৪৮)। তাঁর বিরুদ্ধে ভুয়া ই-মেইল ঠিকানা, ইনভয়েস ও ভুয়া চুক্তিপত্র তৈরির অভিযোগ করা হয়েছে। গুগল ও ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে বোকা বানিয়ে নকল ডকুমেন্ট তৈরি করে অর্থ পরিশোধের জন্য অনুরোধ করেন। কম্পিউটার সরবরাহের জন্য ওই অর্থ লাটভিয়া, সাইপ্রাস, হংকং, স্লোভেনিয়া, হাঙ্গেরি ও লিথুনিয়ার বিভিন্ন ব্যাংকে জমা হয়।

গুগল ও ফেসবুকের উভয় মুখপাত্র বলেছেন, ভুয়া বা জালিয়াতির বিষয়টি ধরতে পারার পর অর্থ উদ্ধারের চেষ্টা চালান তাঁরা। ফরচুনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেহাত হওয়া ওই অর্থের অধিকাংশ উদ্ধার করা গেছে। তবে ঠিক কী পরিমাণ অর্থ বেহাত হয়েছে, সে তথ্য জানায়নি ফেসবুক ও গুগল।

ফরচুনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ই-মেইল স্ক্যামের শিকার হওয়ার ঘটনাটি এটা প্রমাণ করে, গুগল-ফেসবুকের মতো বড় প্রতিষ্ঠানও এ ধরনের জালিয়াতির শিকার হতে পারে। তবে ২০১৩ সালের দিকের এ ঘটনা এত দিন চেপে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ইভালদাস রিমাসাসকাস (৪৮) তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন তদন্ত বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রিমাসাসকাস ও তাঁর আইনজীবী। রিমাসাসকাস বর্তমানে লিথুনিয়ায় পুলিশ হেফাজতে আছেন। তাঁকে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রতিবার ওয়্যার জালিয়াতি ও মানি লন্ডারিংয়ের জন্য ২০ বছর করে জেল ও তথ্য চুরির জন্য কমপক্ষে দুই বছরের সাজা হতে পারে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY