Robert-taylor dies
Photo credit: Wikipedia

চলে গেলেন আধুনিক কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের পথপ্রদর্শক রবার্ট টেইলর। ১৩ এপ্রিল ক্যালিফোর্নিয়ার উডসাইড-এ নিজের বাসভবনে মৃত্যু বরণ করেন। পার্কিনসন’স রোগে ভুগছিলেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮৫।

১৯৩২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ডালাসে জন্মগ্রহণ করেন টেইলর। ১৬ বছর বয়সে তিনি সাউদার্ন মেথডিস্ট ইউনিভার্সিটিতে যোগ দেন। কিন্তু সেখানে তিনি খুব গুরুগম্ভীর ছাত্র ছিলেন না। কোরিয়ান যুদ্ধের সময় মার্কিন নেভি রিজার্ভ হিসবে যোগ দেন তিনি। এখান থেকে ফিরে আবারও পড়াশোনা শুরু করেন। অস্টিনের ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস থেকে সাইকোলজিতে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেন টেইলর।

১৯৭০ সালে জেরক্স-এর পলো অল্টো রিসার্চ সেন্টারে যোগ দেন তিনি। এখানে তিনি ‘অল্টো’ কপিউটারের নকশা এবং সৃষ্টিতে অবদান রাখেন। একে পার্সোনাল কম্পিউটারের পথ প্রদর্শক বলা হয়। অল্টো প্রথম এমন কম্পিউটার যেখানে গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেইস-এর ওপর ভিত্তি করে অপারেটিং সিস্টেম সমর্থন করে। পরবর্তীতে এই ধারণা অনুসরণ করেই আজকের অপারেটিং সিস্টেমগুলো বানানো হয়েছে। কম্পিউটার মাউস তৈরির পেছনেও অবদান রয়েছে টেইলরের।

১৯৬১ সালে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার প্রজেক্ট ম্যানেজার হিসেবে কাজ করার সময় তিনি মানুষের সঙ্গে কম্পিউটারের পারস্পরিক যোগাযোগ নিয়ে ধারণা পান। এছাড়া ইথারনেট নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তিও তৈরি করেছেন টেইলরের দল। শুধু তাই নয় ‘ব্রাভো’ নামের ‘হোয়াট-ইউ-সি-ইজ-হোয়াট-ইউ-গেট’ শব্দ প্রক্রিয়াকরণ প্রোগ্রামেরও নেপথ্যে নায়ক তার দল।

বর্তমানে এটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের মূল ভিত্তি। আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তিতে তার নেতৃত্ব এবং উন্নয়নের কারণে ১৯৯৯ সালে তাকে ন্যাশনাল মেডেল অফ টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন পুরস্কার দেওয়া হয়। ১৯৯৬ সালে অবসর নেন টেইলর।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY