নোকিয়া ও শিয়াওমির মধ্যে পেটেন্ট চুক্তি

নোকিয়ার সঙ্গে ক্রস-লাইসেন্স পেটেন্ট চুক্তি করেছে শিয়াওমি। স্মার্টফোন নির্মাতা চীনা প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে ডেটা সেন্টারের প্রযুক্তি তৈরিরও পরিকল্পনা রয়েছে নোকিয়া’র। নতুন পণ্য তৈরির লক্ষ্যে বুধবার এ চুক্তির ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠান দু’টি। প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় উচ্চ ক্ষমতা এবং স্বল্প শক্তির যন্ত্রাংশ সরবরাহ করবে ফিনিশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান নোকিয়া।

এক সময় মোবাইলফোনের বাজারে শীর্ষস্থানে ছিল নোকিয়া। পরবর্তীতে স্মার্টফোনের বাজারে টিকতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড নাম ব্যবহার করে নতুন করে স্মার্টফোন বাজারে আনতে শুরু করেছে চীনা এইচএমডি গ্লোবাল।

অন্যদিকে চীনা স্মার্টফোন বাজারের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি শিয়াওমি। প্রতি প্রান্তিকেই দ্রুত ব্যবসা বাড়ছে প্রতিষ্ঠানটির। বিশ্ব জুড়েই এখন ব্যবসা বাড়ানোর প্রয়াশ করছে প্রতিষ্ঠানটি। এক্ষেত্রে ভারতের বাজারকে সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করছে তারা।

ইন্টারনেট অফ থিংস, ভার্চুয়াল রিয়ালিটি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো প্রযুক্তি নিয়েও একসঙ্গে কাজ করতে রাজি হয়েছে নোকিয়া ও শিয়াওমি। এখনও মোবাইলফোন বাজারের বেশ কিছু ‘স্ট্যান্ডার্ড’ তৈরির মূলে রয়েছে নোকিয়া। কয়েক বছর ধরে গড়া এই পেটেন্টগুলো থেকে এখনও আয় করছে প্রতিষ্ঠানটি।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শিয়াওমি’র চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী লেই জুন বলেন, “বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী ও মজবুত অংশীদারিত্ব করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। নোকিয়ার সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্ব তাদের নেতৃত্বের সঙ্গে বড়, উচ্চ ক্ষমতার নেটওয়ার্ক তৈরি ও সফটওয়্যার এবং সেবায় দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করবে। আমরা বিশ্বজুড়ে মি ভক্তদের আরও অসাধারণ পণ্য এবং সেবার অভিজ্ঞতা দিতে চাই।”

গত সাত বছরে ১৬ হাজার পেটেন্ট আবেদন করেছে শিয়াওমি। এর মধ্যে অনুমোদন পেয়েছে চার হাজার, যার ১৮৮৭টি দেশের বাইরে।

দ্রুত ব্যবসা বাড়লেও এশিয়ার বাইরে বাজার দখল করতে পারেনি শিয়াওমি। যদিও প্রতিষ্ঠানটির দাবি ইতোমধ্যে ৩০টি দেশে তাদের ব্যবসা রয়েছে। বাইরের দেশে তাদের অন্যান্য কানেক্টেড ডিভাইস বিক্রির কারণেই তারা টিকে আছে বলে ধারণা করা হয়। নোকিয়ার সঙ্গে চুক্তি তাদের মোবাইল এবং কানেক্টেড ডিভাইসের ব্যবসা বাড়াতে সহায়তা করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

NO COMMENTS