Credit:- ICT News

বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল এবং বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরামের যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে প্রথমবারের মত আয়োজিত হয় এ স্পেস অ্যাপস নেক্সট জেন। এর আগে সারাদেশ থেকে ৮৫টির অধিক  আগত প্রায় ৪০০টির অধিক প্রজেক্ট থেকে ১০০টি প্রজেক্ট নিয়ে ব্যুট ক্যাম্প সম্পন্ন হয়। পরবর্তীতে শীর্ষ ৩৫টি প্রজেক্ট নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় ফাইনাল হ্যাকাথন।

স্পেস অ্যাপস নেক্সট জেন প্রতিযোগিতার চারটি ভিন্ন বিভাগে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে গতকাল শনিবার। ৩৬ ঘণ্টার আন্তর্জাতিক এই হ্যাকাথনে গুলো হচ্ছে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থীদের ‘সার্চ বট’, উত্তরা হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের ‘ফ্লোটিং সিটি’, রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের ‘অক্সোমাস্ক’ ও ফেনী সেন্ট্রাল হাই স্কুলের ‘ইকো ফ্রেন্ডলি সোর্স অব ইলেকট্রিসিটি এনার্জি’।

স্পেস অ্যাপস নেক্সট জেন হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার ওপেন ডেটানির্ভর ৩৬ ঘণ্টার একটি হ্যাকাথন। এটি পরিচালনায় সহায়তা করে নাসার সহযোগী প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠান ‘সেকেন্ড মিউজ’। তিনটি ভিন্ন বিভাগে (১ম-৪র্থ শ্রেণি, ৫ম-৮ম শ্রেণি, ৯ম, দ্বাদশ শ্রেণি) শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এই আয়োজন করা হয়। জয়ী প্রতিটি দল পরবর্তী সময়ে পাঁচটি দেশে আয়োজিত হ্যাকাথনের বিজয়ীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতার সুযোগ পাবে। চূড়ান্ত বিজয়ীরা সেকেন্ড মিউজের ওয়াশিংটন ডিসির প্রধান কার্যালয় থেকে সনদ ও পুরস্কার পাবে।

বাংলাদেশে স্পেস অ্যাপস নেক্সট জেনের আয়োজক সরকারের তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল ও বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরাম। ৩৫টি প্রকল্প নিয়ে চূড়ান্ত হ্যাকাথন অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি প্রাঙ্গণে ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় এ অনুষ্ঠান।

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা আরিফুল হাসান অপু বলেন, বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় স্পেস অ্যাপস নেক্সট জেন। এর আগে বিশ্বের পাঁচটি দেশ আন্তর্জাতিক এই হ্যাকাথনের আয়োজন করেছে। চলতি বছরের অক্টোবর নাগাদ আবার অনুষ্ঠিত হবে এই হ্যাকাথন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোস্তফা জব্বার বলেন, এমন মেধার মেলা এক নতুন অধ্যায়ের সৃস্টি করেছে। সামনের দিনগুলোতে আরও অনেক উদ্ভাবনের দেখা পাবো। বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম বিশ্ব দরবারে আরও বিস্ময়কর উদ্ভাবনের দৃস্টান্ত স্থাপন করবে বলে আমরা আশা করি।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY