২০০০ সালের কথা। নকিয়া বাজারে আনে তাদের টেকসই হ্যান্ডসেট নকিয়া ৩৩১০(Nokia 3110)। তখন মানুষের হাতে হাতে ওটাই ঘোরাফেরা করত। যখন আবার ফিরছে নকিয়া ৩৩১০ তখন গোটা দুনিয়া দখল করে আছে অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস বা উইন্ডোজ ফোন।

পুরনো ফোন ‘নকিয়া ৩৩১০’ আবার ফিরছে। আর তার জন্য বেশিদিন অপেক্ষা করতেও হবে না, ২৬ ফেব্রুয়ারিই প্রকাশ্যে আসছে ডিভাইসটি।এবার প্রশ্ন হলো, এই স্মার্টফোনের যুগে গ্রাহকরা কেন কিনবে নকিয়া ৩৩১০?

যেসব কারণে আসছে নকিয়া ৩৩১০ :

হ্যাং করার ঝামেলা নেই : নকিয়া ৩৩১০ যে সময়ের ফোন সেই অ্যাপের বিষয়ে সাধারণ মানুষের ধারণা ছিল। খুব অল্প কিছু কাজই ফোনটি দিয়ে করা যেত। আর এই অল্প সংখ্যক অ্যাপ থাকার জন্য ছিল না স্টোরেজ সমস্যা, তাই হ্যাং করার চিন্তাও থাকত না।

স্নেক-গেম : নকিয়া ৩৩১০ এর স্নেক-গেম ছিল সেই সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় মোবাইল গেম। বাচ্চা থেকে বুড়ো সকলেই ফোনটির পিছনে পড়ে থাকত স্নেক-গেমের নেশায়। ৩৩১০ এর সঙ্গে হারিয়ে গিয়েছিল এই গেমও। আবার নতুন করে আসতে চলেছে সবার প্রিয় স্নেক-গেম। তবে এবার আরও একটু উন্নত হয়ে।

ব্যাটারি : স্মার্টফোন যতই দামি হোক; তাতে ব্যাটারির সমস্যা থেকেই যায়। ক্যামেরা, টাচ স্ক্রিনের মতো ফিচার অনেকখানি ব্যাটারি লাইফ নিয়ে নেয়। এতে তাড়াতাড়ি ব্যাটারি শেষ হয়ে ফোন বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু নকিয়া ৩৩১০ এ এসবের ঝঞ্ঝাট নেই। তাই পাওয়া যাবে স্ট্যান্ডবাই ২৬০ ঘণ্টার ব্যাটারি ব্যাক-আপ।

টেকসই হ্যান্ডসেট : নকিয়ার ফিচার ফোনগুলোর মধ্যে সবথেকে টেকসই নকিয়া ৩৩১০। হাত থেকে আচমকা পড়ে গেলেও নেই চিন্তা। এমনকি, ডুবে গেলেও মাথায় হাত দিয়ে বসে যেতে হবে না। স্ক্রিন বাঁচাতে ২০০-৩০০ টাকা খরচ করে লাগাতে হবে না স্ক্রিন।

রংবেরঙের রিয়ার শেল : এখন বেশির ভাগ স্মার্টফোনই ইউনিবডি হওয়ায় রিয়ার শেল রংয়ের বৈচিত্র্য কিছু বিশেষ হ্যান্ডসেট ছাড়া দেখা যায় না। নকিয়া ৩৩১০ আবার ফিরিয়ে আনবে সেই রঙিন রিয়ার শেল। প্রথম উন্মোচনের সময় ৬টি রংয়ে পাওয়া যেত ফোনটি। এখন নতুন কী ভ্যারাইটি থাকবে তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে প্রকাশ্যে আসার আগ পর্যন্ত।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY