২০২১ সালের মধ্যে দেশের সবার জন্য ইন্টারনেট

Credit:- BBC

মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) রাতে (সুইজারল্যান্ডের স্থানীয় সময় বিকেলে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ৪৭তম বার্ষিক সভায় ‘ইনোভেশনস টু কানেক্ট দ্যা আনকানেক্টেড’ শীর্ষক এক ফোকাস গ্রুপ ডিসকাসনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, লের মধ্যে দেশের সব জনগণকে ইন্টারনেটের আওতায় নিয়ে আসা হবে।’

তিনি বলেন, দেশের সব মানুষকে নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসতে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ইতোমধ্যেই বাংলা.নেট ও ইনফো সরকার-২ প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলাগুলোকে উচ্চগতির ফাইবার অপটিক কেবলের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে।

ওই ফোকাস গ্রুপ আলোচনায় আরো অংশ নেন রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট পল কাগামে, জাপানের ইকোনমি, ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি মন্ত্রী হিরোশি সেকো, ওয়ার্ল্ডওয়াইড ওয়েবের জনক স্যার টিম বার্নস লি, ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের মহাসচিব হাওলিন ঝাও, ইউনেসকোর মহাসচিব ইরিনা জর্জিয়েভা বোকাভা, বোস্টন কনসালটিং গ্রুপের সিনিয়র পার্টনার ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওল্ফগ্যাং বক, জাপানের ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন মন্ত্রী সানায়ি টাকাছি, রুয়ান্ডার ইউথ অ্যান্ড ইনফরমেশন কমিউনিকেশন মন্ত্রী জিন ফিলবার্ট সেনজিমানা, আলীবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা, ভিম্পেলকম গ্রুপের সিইও জিন ইভস চার্লিয়ার, ২৪এম টেকনোলজিসের প্রধান বিজ্ঞানী ও কো-ফাউন্ডার ইয়েট মিং চেইং প্রমুখ।

সভায় প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, দেশের সব ইউনিয়নকে সংযুক্ত করতে ‘ইনফো-৩’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ জন্য নেওয়া হয়েছে ‘এস্টাবলিশিং ডিজিটাল কানেকটিভি’ প্রকল্প। দুর্গম এলাকাকে সংযুক্ত করতে ‘কানেক্ট বাংলাদেশ’ প্রকল্পও চালু হচ্ছে। এমন নানা প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে দেশের সবাইকে ইন্টারনেটের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ কার্যক্রম ঘোষণার পর থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশের মানুষকে সাশ্রয়ী মূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ সহজলভ্য করার প্রয়াস অব্যাহত রেখেছি বলেই ইতোমধ্যে ৪০ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। এ সংখ্যা বাড়ছে।

তিনি আরও বলেন, আগামী ৫ বছরে এ সংখ্যা শতভাগে নিয়ে যেতে আমরা নতুন নতুন উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করছি। ইনোভেশন ফান্ডের মাধ্যমে এখন এই উদ্ভাবনগুলোকে সার্বিক সহযোগিতা করছি। স্টার্ট-আপদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতাসহ মনিটরিং করা, তাদেরকে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে পৌঁছে দেওয়াও আমাদের উদ্দেশ্য। এ জন্য ইনোভেশন ডিজাউন অ্যান্ড অন্ট্রাপ্রেনিওরশিপ একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY